Translate

Wednesday, 30 April 2025

Short Stories ll Bengali ll Brain Tech Tutorial

একদিন এক বাঘ ও এক গাধার মধ্যে ঘাসের রং নিয়ে তর্ক শুরু হলো। কেউ কারো কাছে হার মানতে রাজী নয়। গাধা বাঘকে বললো, “ঘাসের রং নীল।” বাঘ বললো, “না, ঘাসের রং নীল নয়, সবুজ।” 

একজন বলে নীল, আর অন্যজন বলে সবুজ। নীল-সবুজ, নীল-সবুজ করতে করতে ওরা কেউ কারো কাছে বশ্যতা স্বীকার করতে রাজী নয়। শেষমেষ দু’জনে ঠিক করলো তারা পশু রাজা সিংহের কাছে বিচার চাইতে যাবে।

 
দু’জনে সিংহের কাছে যাচ্ছিলো।  সিংহের কাছাকাছি পৌঁছতেই গাধা চিৎকার করে সিংহকে বলছিলো, “পশুরাজ, ঘাসের রং নীল, তাই না?”
সিংহ খুব শান্ত গলায় গাধাকে বললো, “হ্যাঁ, একদম ঠিক বলেছো, ঘাসের রং নীল।”

তখন গাধা সিংহকে বললো, “পশুরাজ দেখুন তো, বাঘ আমার সাথে শুধু তর্কই করে যাচ্ছিলো, সে কখনোই মানতে রাজী নয়, ঘাসের রং নীল। বাঘকে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।” 

তখন পশুরাজ সিংহ বললো, “ঠিক আছে, তাকে শাস্তি দিচ্ছি। বাঘের শাস্তি হলো তাকে পাঁচ বছর পর্যন্ত চুপচাপ থাকতে হবে, সে আর গাধার সাথে কথা বলতে পারবে না।” 

এ শাস্তির কথা শুনে বাঘ পশুরাজ সিংহকে জিজ্ঞেস করলো, “ঘাস সবুজ হওয়া সত্ত্বেও আপনি কেন গাধার সাথে সুর মিলিয়ে বলছেন ঘাস নীল?”
তখন পশুরাজ সিংহ বাঘকে বললো, “তুমিই সঠিক, ঘাসের রং সবুজ। কিন্তু যে কেহ সত্য মানতেই চায় না, তার সাথে তর্ক করার কোনো মানে হয় না। তোমাকে এই শাস্তি দিলাম গাধার সাথে তর্ক করে তোমার সময় যাতে আর নষ্ট না হয়।” 

শিক্ষনীয় বিষয়: যে শিখতে চায় না, কেবল তর্কে জিততে চায়, তার সাথে তর্ক করো না।

*সংগৃহীত ও সামান্য পরিমার্জিত। লেখকের নাম জানা যায়নি।

Short Stories ll Bengali ll Brain Tech Tutorial

হাতির ভিতরে শিয়াল
-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী


রাজার যে হাতিটা তাঁর আর সকল হাতির চেয়ে ভালো আর বড় আর দেখতে সুন্দর, সেইটে তাঁর 'পাটহস্তী'। সেই হাতিতে চড়ে রাজামশাই চলাফেরা করেন, আর তাকে খুব ভালোবাসেন।

একদিন রাজার পাটহস্তী মরে গেল। রাজা অনেকক্ষণ ভারি দুঃখ করলেন, শেষে বললেন, 'ওটাকে ফেলে দিয়ে এস।'

তখন সেই হাতির পায় বড়-বড় দড়ি বেঁধে পাঁচশো লোক টেনে তাকে মাঠে ফেলে দিয়ে এল।

সেই মাঠের কাছে এক শিয়াল থাকত। সে অনেক দিন পেট ভরে খেতে পায়নি। মাঠে মরা হাতি দেখতে পেয়ে, সে খুব খুশি হয়ে এসে, তাকে খেতে আরম্ভ করল। তার এতই খিদে হয়েছিল যে, খেতে-খেতে সে হাতির পেটের ভিতরে ঢুকে গেল, তবুও তার খাওয়া শেষ হল না। এমনি করে দুদিন চলে গেল, তখনো সে হাতির পেটের ভিতরে বসে কেবল খাচ্ছেই। ততদিন রোদ লেগে চামড়া শুকিয়ে, হাতির পেটের ভিতরে ফুটো ছোট হয়ে গেছে, আর শিয়ালও অনেক খেয়ে মোটা হয়ে গেছে। তখন তো তার ভারি মুশকিল হল। সে অনেক চেষ্টা করেও হাতির পেটের ভিতর থেকে বেরুতে পারল না। এখন উপায় কী হবে?

এমন সময় তিনজন চাষী সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। তাদের দেখতে পেয়েই শিয়ালের মাথায় এক ফন্দি জোগাল। সে হাতির পেটের ভিতর থেকে তাদের ডেকে বললে, 'ওহে ভাই সকল, তোমরা রাজার কাছে একটা খবর দিতে পারবে? আমার পেটে যদি পঞ্চাশ কলসি ঘি মাখানো হয়, তবে আমি উঠে দাঁড়াব।'

চাষীরা তাতে ভারি আশ্চর্য হয়ে বলল, 'শোন-শোন, হাতি কী বলছে! চল আমরা রাজামশাইকে খবর দিইগে।' তারা তখুনি রাজার কাছে ছুটে গিয়ে বললে, 'রাজামশাই, আপনার সেই মরা হাতি বলছে যে তার পেটে পঞ্চাশ কলসি ঘি মাখালে সে আবার উঠে দাঁড়াবে। শিগগির পঞ্চাশ কলসি ঘি পাঠিয়ে দিন।'

এ কথায় রাজামশাই যে কী খুশি হলেন, কী আর বলব! তিনি বললেন, 'আমার হাতি যদি বাঁচে পঞ্চাশ কলসি ঘি আর কত বড় একটা কথা! হাজার কলসি ঘি নিয়ে তার পেটে মাখাও।' তখুনি হাজার মুটে হাজার কলসি ঘি নিয়ে মাঠে উপস্থিত করল দুহাজার লোক মিলে সেই ঘি হাতির পেটে মাখাতে লাগল। সাতদিন খালি 'আনো ঘি' 'ঢাল ঘি' ছাড়া সেখানে আর কোনো কথাই শোনা গেল না।

সাতদিনের পরে শিয়াল দেখলে যে, হাতির চামড়াও ঢের নরম হয়েছে, পেটের ফুটোও ঢের বড় হয়েছে, এখন সে ইচ্ছে করলেই বেরিয়ে আসতে পারে। তখন সে সকলকে ডেকে বলল, 'ভাই সকল, এইবার আমি উঠব উঠব। তোমরা একটু সরে দাঁড়াও নইলে যদি আমি মাথা ঘুরে তোমাদের উপরে পড়ে-টড়ে যাই!'

তখন ভারি একটা গোলমাল হল। যে যাকে সামনে পাচ্ছে তাকেই ধাক্কা মেরে বলছে, 'আরে বেটা, শিগগির সর! হাতি উঠছে, ঘাড়ে পড়বে।'

একথা শুনে কি কেউ আর সেখানে দাঁড়ায়? ঘি-টি সব ফেলে তারা পালাতে লাগল, একবার চেয়েও দেখল না, হাতি উঠেছে কি পড়েই আছে। তা দেখে শিয়াল ভাবলে, 'এই বেলা পালাই।' তখন সে তাড়াতাড়ি হাতির পেটের ভিতর থেকে বেরিয়ে দে ছুট।



Saturday, 26 April 2025

Origin of some proverbs ll Brain Tech Tutorial

কিছু ইংরেজি Proverbs ও Idioms এর উৎপত্তির ইতিহাস 


Add Insult To Injury (অবস্থা খারাপ থেকে খারাপতর করা)
ঈশপের পৌরাণিক কাহিনী “টাকওয়ালা এবং মাছি” থেকে উদ্ভব হয়েছে। এর উৎপত্তির বিষয়টি পাওয়া যায় রোমান লেখক Phaedrus এর অনুবাদে। গল্পে আছে একটি মাছি একজন টাকওয়ালা মানুষের মাথায় কামড় দিয়েছিল। টাকওয়ালা মাছি তাড়াতে গিয়ে সজোরে নিজের মাথায় আঘাত করে। এতে নিজেই নিজেকে মারাত্মকভাবে আহত করে মুমুর্ষ পর্যায়ে নিয়ে যায়। অপরদিকে তার এমন কান্ডে সেই মাছি তার মাথার চারপাশে বিদ্রুপ, তামাশা করে উড়তে থাকে। একই গল্পের অপর এক অনুবাদে পাওয়া যায়, লোকটি বেঁচে ছিল মাছির তিরষ্কার ও অপমান নিয়ে।

By Chance (ঘটনাক্রমে বা কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই) 
১৩০০ সালের থেকেই এই প্রবচনটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মূল Chance কথাটির আগে By বসে কীভাবে প্রবচনটির উদ্ভব ঘটেছে, তা হয়তো খেয়াল করেনি কেউ। তবে এটুকু জানা যায় যে, সেই শেক্সপিয়ারের আমলেও প্রবচনটি খুবই স্বাভাবিক ছিল। ১৬১১ সালে শেক্সপিয়ার তার ‘দ্য উইন্টার্স টেল’ নাটকে লিখেছিলেন, “Though I am not naturally honest, I am so sometimes by chance.”

Between A Rock And A Hard Place
(দুটি অপছন্দের বিষয় থেকে একটি বাছাই করা):
বাগধারাটির উদ্ভব হয়েছিল খনি শ্রমিকদের জন্য। এর দ্বারা বুঝানো হতো, হয় বেকারত্ব, নয় অল্প বেতনে অধিক শ্রমসাধ্য কাজ। এর আগে গ্রিক কবি হোমারের মহাকাব্য ওডিসিতে এটি পাওয়া যায়। যেখানে ওডিসিয়াস এবং তার লোকজনকে মেসিনার সাগরবেষ্টিত যে স্থান দুটি দানব দ্বারা সুরক্ষিত সেখানে যেতে হচ্ছিল। দানব Scylla ছিল ১২ ফিট উচ্চতার ছয় মুখওয়ালা আর অন্য দানব Charybdis ছিল ঘূর্ণায়মান জলস্রোত সৃষ্টিকারী। এই দুটোর যেকোন একটা বাছাই করার ফলাফল ছিল মৃত্যু। “between Scylla and Charybdis” এই বাগধারাটি দ্বারা বুঝানো হতো দুটো মন্দ থেকে কম মন্দটি বাছাই করা।

Broken Heart (ভগ্নহৃদয়):
১৪ শতক থেকেই এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক্ষেত্রে হৃদয়কে ব্যবহারের মূল কারণ হলো, সে প্রাচীনকাল থেকেই সকল মানবিক আবেগ-অনুভূতির মূল উৎস হিসেবে হৃদয়ই বিবেচিত হয়ে এসেছে। সুতরাং, ভালোবাসা প্রমাণের জন্য বুক চিরে হৃদয় বের করে আনা বা ভেঙে টুকরো টুকরো হওয়া হৃদয়ের উপস্থাপন কোনো হাল আমলের বিষয় নয়। শত শত বছর ধরে মানুষের রোমান্টিকতায় বিরহ-বেদনা একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে।

Bust One’s Chops (কারো সমালোচনা করা)
১৮ শতকের দিকে জুলফি বা ছোটখাট গোঁফ রাখা যখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিল, তখন এটি ব্যবহৃত হতো কারো মর্যাদার চ্যালেঞ্জ হিসেবে। প্রথম বিশ্বযুদ্বের শুরুর দিকে এই জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করে। কারণ সে সময় প্রতিরক্ষামূলক গ্যাস মাষ্কের সাথে মানিয়ে নিতে পুরুষদের মুখের পার্শ্বঅংশ শেভিং করার দরকার হতো।

Break the Ice (সম্পর্কের বরফ গলানো):
ধারণা করা হয় যে, সমুদ্রে নৌকা চালানোর সময় যখন সামনে কোনো বড় বরফখণ্ড চলে আসতো এবং তার ফলে নৌকা নিয়ে সামনে এগোনো যেতো না, তখন নৌকার মাঝিরা এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতো। অনেক চেষ্টা-চরিত্র করে বরফ ভেঙে বা গলিয়ে, মাঝখানের ফাঁকা দিয়ে বা পাশ দিয়ে তাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হতো। ১৭ শতকের শুরুর দিক থেকে এটি আক্ষরিক অর্থেই ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। কিন্তু বর্তমান রূপকার্থটির আগমন ঘটেছে অনেক পরে, সম্ভবত ১৯ বা ২০ শতকের দিকে। দুটি মানুষের বা পক্ষের মধ্যকার জড়তা কাটিয়ে স্বাভাবিক সম্পর্ক বা আলোচনা চালাতে যার ব্যবহার।

Calculated Risk (হিসাব-নিকাশ করে নেয়া ঝুঁকি)
বর্তমান সময়ের উদ্যোক্তারা হয়তো কথায় কথায় এই প্রবচনটি ব্যবহার করে থাকে, তবে এর ব্যবহার মূলত শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে। তখন সৈন্যবাহিনীর প্রধানের যেকোনো অ্যাকশন নেয়ার আগে চিন্তা-ভাবনা করতেন, অ্যাকশনটি ব্যর্থ হলে ক্ষতি কেমন হবে, আর তার বিপরীতে সফল হলে লাভ হবে কতটুকু। অর্থাৎ, এখানে Calculated শব্দটি মূলত পরিকল্পিত অর্থে ব্যবহৃত হতো।

Running Amok (আকস্মিক আঘাত)
এই শব্দসমষ্টির মূল ধারণাটি আসে ১৭ শতকে মালয়দের কাছ থেকে। শব্দটি মালয় শব্দ 'mengamok' থেকে উদ্ভব, যার অর্থ ক্ষিপ্ত ও অসংযত অভিযোগ করা। বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে যখন কেউ কারো উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন ঐ ব্যক্তি বিচারবুদ্ধি হারিয়ে হাতের কাছাকাছি থাকা সব কিছুর ক্ষতি করতে থাকে, যতক্ষণ না তাকে দমন করা হয়। এই ধরণের পরিস্থিতিতে আক্রান্ত ব্যক্তি অধিকাংশ সময় মৃত্যুবরণ করে। ১৭৭০ সালে ব্রিটিশ নাগরিক জেমস কুকের বিবরণীতে শব্দটি পাওয়া যায়।

Carbon Copy (লিখিত কোনো কিছুর নকল)।
প্রবচনটি শুরুতে আক্ষরিক অর্থেই ব্যবহৃত হতো। ১৯ শতকের শেষদিকে কার্বন কাগজের আগমন ঘটে। তখন একটি কার্বনের উপর কিছু লেখা হলে, কাগজ ভেদ করে কালি নিচের কাগজেও চলে যেতো, অর্থাৎ উপরের আর নিচের কাগজে অভিন্ন লেখা তৈরি হতো। সময়ের প্রবাহে অনেক নতুন প্রযুক্তির আগমন ঘটেছে। আজকাল লেখা নকল করতে কার্বন কাগজের প্রয়োজন হয় না। ফটোকপি মেশিন থেকে শুরু করে কম্পিউটার পর্যন্ত অনেকভাবেই লেখা নকল করা যায়। তারপরও দুটি লেখার মধ্যে মিল পাওয়া গেলে, প্রথমেই আমাদের মাথায় আসে এ প্রবচনটি।

White Elephant (এমন কিছু যার খরচ তার মূল্যের চেয়েও বেশি)
এটি থাইল্যান্ড রাজাদের পালিত প্রথা থেকে উদ্ভব। কারো কাজে অপমানিত হয়ে যখন রাজা কাউকে শাস্তি দিতে চাইতেন, তিনি সরাসরি প্রাণদন্ড না দিয়ে অপরাধীকে একটি সাদা হাতি উপহার দিতেন। যেটা দেশের প্রতীক স্বরূপ। অর্থাৎ বিক্ষুদ্ধ তবে সৌজন্যতার সাথে শাস্তি। অপরাধীও এই উপহার অস্বীকার করতে পারতো না। কেননা এটি রাজনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতার সমান। কেউ এই ধরনের অপরিমিত ব্যায়ের উপহার কেন অস্বীকার করবে? কারণ এই সাদা হাতির দেখা-শুনা করা, অপরাধীকে দেউলিয়া বানিয়ে দিবে। ইংরেজী শব্দকোষে “সাদা হাতি” বাগধারার পরিচিতি ঘটে শোম্যান ও সার্কাসের মালিক পি টি বারনাম এর হাত ধরে। তিনিই প্রথম দেশের বাইরের এমন এক প্রাণীকে জন সম্মুখে হাজির করেছিলেন।

ছবি: A white elephant at the Amarapura Palace in 1855 by Colesworthy Grant.

*Collected from social media 




Short Stories ll English ll Brain Tech Tutorial

A story about Sacrates 


Who would’ve thought that Socrates — the great philosopher known for his wisdom, calmness, and profound words — lived with a woman who constantly tested his patience? His wife was infamous for her sharp tongue, dominant presence, and relentless temper. Every morning, she pushed him out of the house at sunrise, and he only returned when the sun was about to set.

Yet, despite her difficult character, Socrates always spoke of her with respect and even gratitude. He once admitted that he owed a portion of his wisdom to her, because without such daily trials, he would’ve never learned that true wisdom lives in silence, and peace is found in stillness.

One day, while he sat with his students, she began shouting at him as usual — but this time, she poured water over his head. Unshaken, Socrates simply wiped his face and said calmly, “Well, after thunder, rain was only to be expected.”

Her story ended suddenly. During another of her outbursts, when Socrates, as always, remained calm and silent, her rage overwhelmed her. She suffered a heart attack and passed away that very night. While she erupted like a storm, Socrates remained a sea of calm.

Her name faded into history. His composure became legend. This isn’t just a story of conflict — it’s a reminder that strength often shows in silence, and that the greatest teachers sometimes come disguised as life’s most difficult people.

*Credit to the original storyteller.
It has been collected from social media.

Friday, 25 April 2025

Short Stories ll English ll Brain Tech Tutorial

                                                The Clever Spider and the Rainmaker’s Secret



In a time when animals ruled the forest and talked like men, there lived a cunning spider named Kwaku Ananse. Though small in size, Ananse had a mind sharper than a porcupine’s quill. The forest was in trouble—a terrible drought had turned rivers to dust and crops to ash. The animals grew weak, and the young ones cried for water.

Now, it was said that only one creature held the secret to bring rain: Mzee Mbura, the old tortoise who lived atop the tallest baobab. He was a rainmaker, but he never shared. His crops flourished while others wilted. His shell stayed glossy while the other animals grew thin and cracked.

Ananse decided it was time to act—not with strength, but with wit.

He spun a long silky thread and tied gourds to it—one for kindness, one for courage, one for wisdom, and one for lies. He painted them with bright forest colors and carried them like gifts.

When he reached the baobab, Mzee Mbura was asleep. Ananse sang softly:

“Four gifts I bring,
For a shell so wide.
But only truth
Will open your pride.”

The tortoise opened one eye and chuckled. “What do you want, little web-walker?”

“Just a drop of rain,” Ananse said, bowing.

Mzee Mbura laughed. “Only the wise can summon rain.”

Ananse smiled. “Then let me try.”

He offered the gourd of lies first—but it broke into smoke. Then he offered the gourd of courage—but a wind blew it away. When he gave the gourd of kindness, it opened into a soft breeze. But the final gourd—wisdom—burst into a thundercloud.

Suddenly, the sky wept.

Rain fell. The trees danced. The animals cheered.

Mzee Mbura was shocked. “How did you do that?”

Ananse bowed low. “Sometimes, the smallest voice carries the biggest truth. Kindness and wisdom can open even the sky.”

From that day, the animals honored Ananse not just as a trickster—but as the Savior of the Rain.

Moral: Wisdom is not in how loud you speak, but in how true your heart is.

*Writer's name not found.
The story is collected from social media.

Short Stories ll Bengali ll Brain Tech Tutorial

টুনটুনি ও বিড়াল  
-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী 

গৃহস্থের ঘরের পিছনে বেগুন গাছ আছে। সেই বেগুন গাছের পাতা ঠোঁট দিয়ে সেলাই করে টুনটুনি পাখিটি তার বাসা বেঁধেছে।

বাসার ভিতরে তিনটি ছোট্ট-ছোট্ট ছানা হয়েছে। খুব ছোট্ট ছানা, তারা উড়তে পারে না, চোখও মেলতে পারে না। খালি হাঁ করে আর চি চি করে।

গৃহস্থের বিড়ালটি ভারি দুষ্টু। সে খালি ভাবে 'টুনটুনির ছানা খাব।' একদিন সে বেগুন গাছের তলায় এসে বললে, 'কী করছিস লা টুনটুনি?'

টুনটুনি তার মাথা হেঁট করে বেগুন গাছের ডালে ঠেকিয়ে বললে, 'প্রণাম হই, মহারানী!'

তাতে বিড়ালনী ভারি খুশি হয়ে চলে গেল।

এমনি সে রোজ আসে, রোজ টুনটুনি তাকে প্রণাম করে আর মহারানী বলে, আর সে খুশি হয়ে চলে যায়।

এখন টুনটুনির ছানাগুলি বড় হয়েছে, তাদের সুন্দর পাখা হয়েছে। তারা আর চোখ বুজে থাকে না। তা দেখে টুনটুনি তাদের বললে, 'বাছা, তোরা উড়তে পারবি?' ছানারা বললে, 'হ্যাঁ মা, পারব।'

টুনটুনি বললে, 'তবে দেখ তো দেখি, ঐ তাল গাছটার ডালে গিয়ে বসতে পারিস কিনা।'

ছানারা তখনই উড়ে গিয়ে তাল গাছের ডালে বসল। তা দেখে টুনটুনি হেসে বললে,
'এখন দুষ্ট বিড়াল আসুক দেখি!'

খানিক বাদেই বিড়াল এসে বললে, 'কী করছিস লা টুনটুনি?'

তখন টুনটুনি পা উঠিয়ে তাকে লাথি দেখিয়ে বললে, 'দূর হ, লক্ষ্মীছাড়ী বিড়ালনী!'

বলেই সে ফুড়ক করে উড়ে পালাল।

দুষ্টু বিড়াল দাঁত খিঁচিয়ে লাফিয়ে গাছে উঠে টুনটুনিকেও ধরতে পারল না, ছানাও খেতে পেল না। খালি বেগুন কাঁটার খোঁচা খেয়ে নাকাল হয়ে ঘরে ফিরল।

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

Thursday, 24 April 2025

Short Stories: The Donkey Who Knew the Wind ll Brain Tech Tutorial

THE DONKEY WHO KNEW THE WIND

In the rolling hills of a sun-drenched village, where dust danced on the wind and baobab trees whispered stories to the clouds, lived a donkey named Jabu. He was old, with a greyed coat and tired eyes. The other animals mocked him gently.

“He’s too slow.”
“He’s just a beast of burden.”
“He carries, but never leads.”

And so Jabu walked in silence—day after day—carrying firewood, water, and sometimes the laughter of children.

But Jabu had a secret.

He listened to the wind.

He had learned its voice when he was just a foal. The wind would hum warnings, whisper news, and carry scents from faraway lands. Jabu never spoke of it—only listened, always watching the sky.

One season, the clouds vanished. The earth cracked. The crops withered.

The villagers and animals grew desperate.

“We must find water,” cried the chief.
“Or we will not survive,” murmured the gazelle.

The birds flew far and returned with nothing. The elephant stomped the ground, hoping to unearth a spring. The lion roared at the sun.

Then Jabu, slow and steady, stepped forward.

“I will go,” he said.

The others chuckled.

“You? You barely move.”
“You are not a seeker.”

But the wind whispered again. And Jabu followed.

He walked for days. Through dust. Through thorns. Through silence.

Then, one dawn, he stopped. His ears twitched. The wind curled around him like an old friend. He stomped the ground and brayed.

Water.

He had found it. A deep spring, hidden beneath rock and sand.

The villagers dug. The water gushed. Life returned.

From that day, Jabu was no longer just the donkey. He was the Listener of the Wind.

And when the breeze moved, everyone turned to hear what it might say—through Jabu’s ears.


Moral Lessons:
 1. Wisdom isn’t in how fast you move, but how well you listen.
 2. Never underestimate those who walk quietly—they often carry the loudest truths.
 3. Sometimes, the one everyone overlooks holds the key to everyone’s survival.

*The story is collected from social media 

কবিতা ও ছড়া ll Bengali ll Brain Tech Tutorial

দূরের পাল্লা
– সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

ছিপখান তিন-দাঁড় –
তিনজন মাল্লা
চৌপর দিন-ভোর
দ্যায় দূর-পাল্লা!

পাড়ময় ঝোপঝাড়
জঙ্গল-জঞ্জাল,
জলময় শৈবাল
পান্নার টাঁকশাল |

কঞ্চির তীর-ঘর
ঐ-চর জাগছে,
বন-হাঁস ডিম তার
শ্যাওলায় ঢাকছে|

চুপ চুপ – ওই ডুব
দ্যায় পান্ কৌটি
দ্যায় ডুব টুপ টুপ
ঘোমটার বৌটি!

ঝকঝক কলসীর
বক্ বক্ শোন্ গো
ঘোমটার ফাঁক বয়
মন উন্মন গো|

তিন-দাঁড় ছিপখান
মন্থর যাচ্ছে,
তিনজন মাল্লায়
কোন গান গাচ্ছে?

রূপশালি ধান বুঝি
এইদেশে সৃষ্টি,
ধুপছায়া যার শাড়ী
তার হাসি মিষ্টি|

মুখখানি মিষ্টিরে
চোখদুটি ভোমরা
ভাব-কদমের – ভরা
রূপ দেখ তোমরা !

ময়নামতীর জুটি
ওর নামই টগরী,
ওর পায়ে ঢেউ ভেঙে
জল হোলো গোখরী!

ডাক পাখী ওর লাগি’
ডাক ডেকে হদ্দ,
ওর তরে সোঁত-জলে
ফুল ফোটে পদ্ম|

ওর তরে মন্থরে
নদ হেথা চলছে,
জলপিপি ওর মৃদু
বোল বুঝি বোলছে|

দুইতীরে গ্রামগুলি
ওর জয়ই গাইছে,
গঞ্জে যে নৌকা সে
ওর মুখই চাইছে|

আটকেছে যেই ডিঙা
চাইছে সে পর্শ,
সঙ্কটে শক্তি ও
সংসারে হর্ষ|

পান বিনে ঠোঁট রাঙা
চোখ কালো ভোমরা,
রূপশালী-ধান-ভানা
রূপ দেখ তোমরা

*        *        *        *

পান সুপারি! পান সুপারি!
এইখানেতে শঙ্কা ভারি,
পাঁচ পীরেরই শীর্ণি মেনে
চলরে টেনে বৈঠা হেনে;
বাঁক সমুখে, সামনে ঝুঁকে
বাঁয় বাঁচিয়ে ডাইনে রুখে
বুক দে টানো, বইটা হানো –
সাত সতেরো কোপ কোপানো|
হাড়-বেরুনো খেজুরগুলো
ডাইনী যেন ঝামর-চুলো
নাচতে ছিল সন্ধ্যাগমে
লোক দেখে কি থমকে গেল|
জমজমাটে জাঁকিয়ে ক্রমে
রাত্রি এল রাত্রি এল|
ঝাপসা আলোয় চরের ভিতে
ফিরছে কারা মাছের পাছে,
পীর বদরের কুদরতিতে
নৌকা বাঁধা হিজল-গাছে|

আর জোর দেড় ক্রোশ –
জোর দের ঘন্টা,
টান ভাই টান সব –
নেই উত্কণ্ঠা|

চাপ চাপ শ্যাওলার
দ্বীপ সব সার সার,
বৈঠৈর ঘায়ে সেই
দ্বীপ সব নড়ছে,
ভিল্ ভিলে হাঁস তায়
জল-গায় চড়ছে|

ওই মেঘ জমছে,
চল্ ভাই সমঝে,
গান গাও দাও শিশ,
বকশিশ! বকশিশ!

খুব জোর ডুব-জল
বয় স্রোত ঝিরঝির,
নেই ঢেউ কল্লোল,
নয় দুর নয় তীর|

নেই নেই শঙ্কা,
চল্ সব ফুর্তি,
বকশিশ টঙ্কা,
বকশিশ ফুর্তি|

ঘোর-ঘোর সন্ধ্যায়,
ঝাউ-গাছ দুলছে,
ঢোল-কলমীর ফুল
তন্দ্রায় ঢুলছে|

লকলক শর-বন
বক তায় মগ্ন,
চুপচাপ চারদিক –
সন্ধ্যার লগ্ন|

চারদিক নিঃসাড়,
ঘোর-ঘোর রাত্রি,
ছিপ-খান তিন-দাঁড়,
চারজন যাত্রি|

*        *        *        *

জড়ায় ঝাঁঝি দাঁড়ের মুখে
ঝউয়ের বীথি হাওয়ায় ঝুঁকে
ঝিমায় বুঝি ঝিঁঝিঁর গানে –
স্বপন পানে পরাণ টানে|

তারায় ভরা আকাশ ওকি
ভুলোয় পেয়ে ধূলোর পরে
লুটিয়ে পল আচম্বিতে
কুহক-মোহ-মন্ত্র-ভরে!

কেবল তারা! কেবল তারা!
শেষের শিরে মানিক পারা,
হিসাব নাহি সংখ্যা নাহি
কেবল তারা যেথায় চাহি|

কোথায় এল নৌকাখানা
তারার ঝড়ে হই রে কাণা,
পথ ভুলে কি এই তিমিরে
নৌকা চলে আকাশ চিরে!

জ্বলছে তারা! নিভছে তারা!
মন্দাকিনীর মন্দ সোঁতায়,
যাচ্ছে ভেসে যাচ্ছে কোথায়
জোনাক যেন পন্থা-হারা|

তারায় আজি ঝামর হাওয়া-
ঝামর আজি আঁধার রাতি,
অগুনতি অফুরান তারা
জ্বালায় যেন জোনাক-বাতি|

কালো নদীর দুই কিনারে
কল্পতরু কুঞ্জ কি রে?
ফুল ফুটেছে ভারে ভারে –
ফুল ফুটেছে মাণিক হীরে|

বিনা হাওয়ায় ঝিলমিলিয়ে
পাপড়ি মেলে মাণিক-মালা;
বিনি নাড়ায় ফুল ঝরিছে
ফুল পড়িছে জোনাক জ্বালা|

চোখে কেমন লগছে ধাঁধা –
লাগছে যেন কেমন পারা,
তারাগুলোই জোনাক হল
কিম্বা জোনাক হল তারা|

নিথর জলে নিজের ছায়া
দেখছে আকাশ ভরা তারায়,
ছায়া-জোনাক আলিঙ্গিতে
জলে জোনাক দিশে হারায়|

দিশে হারায় যায় ভেসে যায়
স্রোতের টানে কোন্ দেশে রে?
মরা গাঙ আর সুর-সরিত্
এক হয়ে যেথায় মেশে রে!

কোথায় তারা ফুরিয়েছে, আর
জোনাক কোথা হয় সুরু যে
নেই কিছুরই ঠিক ঠিকানা
চোখ যে আলা রতন উঁছে|

আলেয়াগুলো দপদপিয়ে
জ্বলছে নিবে, নিবছে জ্বলে’,
উল্কোমুখী জিব মেলিয়ে
চাটছে বাতাশ আকাশ-কোলে!

আলেয়া-হেন ডাক-পেয়াদা
আলেয়া হতে ধায় জেয়াদা
একলা ছোটে বন বাদাড়ে
ল্যাম্পো-হাতে লকড়ি ঘাড়ে;

সাপ মানে না, ভাঘ জানে না,
ভূতগুলো তার সবাই চেনা,
ছুটছে চিঠি পত্র নিয়ে
রণরণিয়ে হনহনিয়ে|

বাঁশের ঝোপে জাগছে সাড়া,
কোল্-কুঁজো বাঁশ হচ্ছে খাড়া,
জাগছে হাওয়া জলের ধারে,
চাঁদ ওঠেনি আজ আঁধারে!

ধরছে কারা মাছগুলোকে!

চলছে তরী চলছে তরী –
আর কত পথ? আর ক’ঘড়ি?
এই যে ভিড়াই, ওই যে বাড়ী,
ওই যে অন্ধকারের কাঁড়ি –

ওই বাঁধা-বট ওর পিছন্
দেখছ আলো? ঐতো কুঠি
ঐখানেতে পৌঁছে দিলেই
রাতের মতন আজকে ছুটি|

ঝপ ঝপ তিনখান
দাঁড় জোর চলছে,
তিনজন মাল্লার
হাত সব জ্বলছে;

গুরগুর মেঘ সব
গায় মেঘ মল্লার,
দূর-পাল্লার শেষ
হাল্লাক্ মাল্লার!

কবিতা ও ছড়া ll Bengali ll Brain Tech Tutorial

প্রভাত
-মদনমোহন তর্কালঙ্কার 





পাখিসব করে রব রাতি পোহাইল, 
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল। 
রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে,
শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে।

ফুটিল মালতী ফুল সৌরভ ছুটিল,
পরিমল লোভে অলি আসিয়া জুটিল।
গগনে উঠিল রবি লোহিত বরণ,
আলোক পাইয়া লোক পুলকিত মন।

শীতল বাতাস বয় জুড়ায় শরীর, 
পাতায় পাতায় পড়ে নিশির শিশির। 
ওঠ শিশু, মুখ ধোও, পর নিজ বেশ, 
আপন পাঠেতে মন করহ নিবেশ।

Short Stories ll Bengali ll Brain Tech Tutorial

শিয়াল পণ্ডিত 
-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী 

কুমির দেখলে, সে শিয়ালের সঙ্গে কিছুতেই পেরে উঠছে না। তখন সে ভাবলে, 'ও ঢের লেখাপড়া জানে, তাতেই খালি আমাকে ফাঁকি দেয়। আমি মূর্খ লোক, তাই তাকে আঁটতে পারি না।' অনেকক্ষণ ভেবে কুমির এই ঠিক করল যে, নিজের সাতটা ছেলেকে শিয়ালের কাছে দিয়ে খুব করে লেখাপড়া শেখাতে হবে। তার পরের দিনই সে ছানা সাতটাকে সঙ্গে করে শিয়ালের বাড়ি গিয়ে উপস্থিত হল। শিয়াল তখন তার গর্তের ভিতরে বসে কাঁকড়া খাচ্ছিল। কুমির এসে ডাকলে,

'শিয়াল পণ্ডিত, শিয়াল পণ্ডিত, বাড়ি আছ?' শিয়াল বাইরে এসে বললে, 'কী ভাই, কী মনে করে?'
কুমির বললে, 'ভাই, এই আমার ছেলে সাতটাকে তোমার কাছে এনেছি। মূর্খ হলে করে খেতে পারবে না। ভাই, তুমি যদি এদের একটু লেখাপড়া শিখিয়ে দাও।' শিয়াল বললে, 'সে আর বলতে? আমি সাতদিনে সাতজনকে পড়িয়ে পণ্ডিত করে দেব।' শুনে কুমির তো খুব খুশি হয়ে ছানা সাতটাকে রেখে চলে গেল।
তখন শিয়াল তাদের একটাকে আড়ালে নিয়ে বললে—
'পড় তো বাপু— কানা খানা গানা ঘানা,
কেমন লাগে কুমির ছানা?'

এই কথা বলে, সেটার ঘাড় ভেঙে, খেয়ে ফেললে।
পরদিন যখন কুমির তার ছানা দেখতে এল, তখন শিয়াল তাদের একেকটি করে গর্তের বাইরে এনে দেখাতে লাগল। ছয়টিকে ছয়বার দেখালে, শেষেরটা দেখালে দুবার। বোকা কুমির তা বুঝতে না পেরে ভাবলে, সাতটাই দেখানো হয়েছে। তখন সে চলে গেল, আর অমনি শিয়াল ছানাগুলোর একটাকে আড়ালে নিয়ে বললে—
'পড় তো বাপু— কানা খানা গানা ঘানা,
কেমন লাগে কুমির ছানা?'

এই কথা বলে, সেটার ঘাড় ভেঙে, খেয়ে ফেলল।
পরদিন কুমির তো ছানা দেখতে এল। শিয়াল একেকটি করে গর্তের বাইরে এনে, পাঁচবার পাঁচটাকে দেখাল, শেষেরটিকে দেখাল তিনবার। তাতেই কুমির খুশি হয়ে চলে গেল। তখন শিয়াল ঠিক আগের মতো করে আর একটা ছানাকে খেল।
এমনি করে সে রোজ একটি ছানা খায়, আর কুমির এলে তাকে ফাঁকি দিয়ে ভোলায়। শেষে যখন একটি ছানা বই আর রইল না, তখন সেই একটিকেই সাতবার দেখিয়ে সে কুমিরকে বোঝাল। তারপর কুমির চলে গেলে সেটিকেও খেয়ে ফেলল। তারপর আর একটিও রইল না।
তখন শিয়ালনী বললে, 'এখন উপায়? কুমির এলে দেখাবে কি? ছানা না দেখতে পেলে তো অমনি আমাদের ধরে খাবে!'
শিয়াল বললে, 'আমাদের পেলে তো ধরে খাবে। নদীর ওপারের বনটা খুব বড়, চল আমরা সেইখানে যাই। তা হলে কুমির আর আমাদের খুঁজে বার করতেই পারবে না।'
এই বলে শিয়াল শিয়ালনীকে নিয়ে তাদের পুরনো গর্ত ছেড়ে চলে গেল। এর খানিক বাদেই কুমির এসেছে। সে এসে 'শিয়াল পণ্ডিত, শিয়াল পণ্ডিত' বলে কত ডাকল, কেউ তার কথার উত্তর দিল না। তখন সে গর্তের ভিতর-বার খুঁজে দেখল—শিয়ালও নেই শিয়ালনীও নেই! খালি তার ছানাদের হাড়গুলো পড়ে আছে।
তখন তার খুব রাগ হল, আর সে চারদিকে ছুটাছুটি করে শিয়ালকে খুঁজতে লাগল। খুঁজতে-খুঁজতে নদীর ধারে গিয়ে দেখল, শিয়াল আর শিয়ালনী সাঁতরে নদী পার হচ্ছে।
অমনি 'দাঁড়া হতভাগা।' বলে সে জলে ঝাঁপ দিয়ে পড়ল। জলের নীচে ছুটতে কুমিরের মতো আর কেউ পারে না, দেখতে দেখতে সে গিয়ে শিয়ালের পিছনের একটা পা কামড়ে ধরল।
শিয়াল সবে তার সামনের দু-পা ডাঙায় তুলেছিল, শিয়ালনী তার আগেই উঠে গিয়েছিল। কুমির এসে শিয়ালের পা ধরতেই সে শিয়ালনীকে ডেকে বললে, 'শিয়ালনী, শিয়ালনী, আমার লাঠিগাছা ধরে কে টানাটানি করছে। লাঠিটা বা নিয়েই যায়।'
একথা শুনে কুমির ভাবলে, 'তাই তো, পা ধরতে গিয়ে লাঠি ধরে ফেলেছি। শিগগির লাঠি ছেড়ে পা ধরি।'
এই ভেবে যেই সে শিয়ালের পা ছেড়ে দিয়েছে, অমনি শিয়াল একলাফে ডাঙায় উঠে গিয়েছে। উঠেই বোঁ করে দে ছুট। তারপর বনের ভিতরে ঢুকে পড়লে আর কার সাধ্য তাকে ধরে।

তারপর থেকে কুমির কেবলই শিয়ালকে খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু শিয়াল বড্ড চালাক,
তাই তাকে ধরতে পারে না। তখন সে অনেক ভেবে এক ফন্দি করল। কুমির একদিন চড়ায় গিয়ে হাত পা ছড়িয়ে মড়ার মতো পড়ে রইল। তারপর শিয়াল আর শিয়ালনী কচ্ছপ খেতে এসে দেখল, কুমির কেমন হয়ে পড়ে আছে। তখন শিয়ালনী বললে, 'মরে গেছে। চল খাইগে!' শিয়াল বললে, 'রোস, একটু দেখে নিই।' এই বলে সে কুমিরের আর-একটু কাছে গিয়ে বলতে লাগল, 'না। এটা দেখছি বড্ড বেশি মরে গেছে। অত বেশি মরাটা আমরা খাই না। যেগুলো একটু-একটু নড়ে-চড়ে, আমরা সেগুলো খাই।' তা শুনে কুমির ভাবলে, 'একটু নড়ি-চড়ি, নইলে খেতে আসবে না।' এই মনে করে কুমির তার লেজের আগাটুকু নাড়তে লাগল। তা দেখে শিয়াল হেসে বললে, ঐ দেখ, লেজ নাড়ছে! তুমি তো বলেছিলে মরে গেছে!' তারপর আর কি তারা সেখানে দাঁড়ায়! তখন কুমির বললে, 'বড্ড ফাঁকি দিলে তো! আচ্ছা এবারে দেখাব!'

একটা জায়গায় শিয়াল রোজ জল খেতে আসত। কুমির তা দেখতে পেয়ে সেখানে গিয়ে লুকিয়ে রইল। ভাবল শিয়াল জল খেতে এলেই ধরে খাবে। সেদিন শিয়াল এসে দেখল সেখানে একটাও মাছ নেই! অন্য দিন ঢের মাছ চলা-ফেরা করে। শিয়াল ভাবল, 'ভালো রে ভালো আজ সব মাছ গেল কোথায়? বুঝেছি, এখানে কুমির আছে!' তখন সে বললে, 'এখানকার জল বেজায় পরিষ্কার। একটু ঘোলা না হলে কি খাওয়া যায়? চল শিয়ালনী, আর-এক জায়গায় যাই।' এ কথা শুনেই কুমির তাড়াতাড়ি সেখানকার জল ঘোলা করতে আরম্ভ করলে। তা দেখে শিয়াল হাসতে-হাসতে ছুটে পালিয়েছে!

আর একদিন শিয়াল এসেছে কাঁকড়া খেতে। কুমির তার আগেই সেখানে চুপ করে বসে আছে। শিয়াল তা টের পেয়ে বললে, 'এখানে কাঁকড়া নেই, থাকলে দু-একটা ভাসত।'
অমনি কুমির তার লেজের আগাটুকু ভাসিয়ে দিল। কাজেই শিয়াল আর জলে নামল না। এমনি করে বারবার শিয়ালের কাছে ঠকে গিয়ে, শেষে কুমিরের ভারি লজ্জা হল। তখন সে আর কী করে মুখ দেখাবে? কাজেই সে তার ঘরের ভিতরে গিয়ে বসে রইল।

Short Stories ll English ll Brain Tech Tutorial

A Lawyer and A Teacher 



A lawyer sold his well to a teacher. Two days later, the lawyer came to the teacher and said, "Sir, I sold you the well, but it's not with the water inside! If you want to use the water, you will have to pay extra."

The teacher smiled and replied, "Yes, I was about to come to you. I was going to say that you should take your water from my well, or else you will have to start paying rent from tomorrow."

Hearing this, the lawyer got nervous and said, "Oh, I was just joking!"

The teacher laughed and said, "This is how people like you become lawyers after studying with us." 

*Writer's name not known.
The story is collected from social media.

Tuesday, 22 April 2025

Short Stories ll English ll Brain Tech Tutorial


THE FROG WHO WAITED FOR RAIN


Long ago, in a village where the sun burned without mercy and the sky forgot how to weep, lived a small green frog named Tedo. The riverbeds cracked, the trees drooped, and the birds flew elsewhere in search of hope. Every animal had given up on the rain—except Tedo.


Every morning, Tedo would hop to the center of the dry village pond, face the sky, and sing. His voice wasn’t loud. It wasn’t sweet. But it was steady.


“Why do you sing to a sky that does not listen?” mocked the crow.


“Because the rain will come,” Tedo replied. “And when it does, it must know I’ve been waiting.”


The tortoise shook his head. The lizard rolled her eyes. Even the monkeys laughed from the treetops.


Still, Tedo sang.


One night, the wind began to whisper. The stars blinked more quickly. And somewhere beyond the hills, the clouds gathered.


Tedo felt it in his bones. That morning, he sang louder than ever, even though his throat was dry and cracked.


Then—BOOM.


A single raindrop fell.


Then another. And another.


And suddenly, the sky burst open like a calabash. Rain poured down with joy, drenching the earth, reviving the trees, and waking sleeping seeds.


The animals danced. The pond filled. The villagers rejoiced.


But none forgot the little frog who had believed when everyone else had stopped.


From that day on, whenever the rain returned, the animals would pause—and listen. Somewhere, Tedo’s song still echoed in the droplets.



Moral Lessons:

 1. Faith is not believing when the rain falls—it’s singing when the sky is still silent.

 2. Hope doesn’t require a crowd—it only needs one steady voice.

 3. Those who wait with patience often become the first to witness miracles.

*The story is collected from social media.

Saturday, 19 April 2025

Smiles ll Vocabulary ll Learning Languages ll English Grammar ll Brain Tech Tutorial

Smiles: Various forms of smiles: 


▪️Smile (স্মাইল) - A mild smile (মুচকি) 
▪️Laugh (লাফ) - Laughing out loud (শব্দ সহকারে হাসা) 
▪️Titter (টিটার) - Laughing foolishly (মূর্খের মতো হাসা) 
▪️Chuckle (চাকল্) - Laughing quietly (মুখ টিপে হাসা) 
▪️Guffaw (গাফো) - Laughing loudly (অট্ট হাসি) 
▪️Grin (গ্রিন) - Smiling broadly (দাঁত বের করে হাসা) 
▪️Snigger (স্নিগার) - Smiling secretly (চাপা হাসি) 
▪️Snort (স্নর্ট) - Laughing with a snorting sound (হো হো করে হাসি)
▪️Giggle (গিগল্) - Laughing in a silly manner (ফিক ফিক করে হাসা)







Blend Words ll Vocabulary ll Learning Languages ll English Grammar ll Brain Tech Tutorial

Blend Words: What does this mean? 
Ans. In English grammar, blend words, also known as portmanteaus, are formed by combining parts oftwo or more words to create a new word with a new meaning. For example: Web+log= Blog/Smoke+fog= Smog 
List of Blend Words:
Motel 




Thursday, 3 April 2025

Homophones ll Vocabulary ll English Grammar ll Brain Tech Tutorial


Homophones:
a word that sounds alike with another word but bears different spelling and meaning.
 









Some Examples :

▪️Been/Bean 
▪️Flower/Flour 

Posts

History of Paris Commune II Brain Tech Tutorial

History of Paris Commune   The Paris Commune was a radical, socialist government that ruled Paris for 72 days (March 18–May 28, 1871) follow...